চূড়ান্ত বাজেটে চার বিষয়ের প্রতিফলন চাই ডিএসই

গত ১লা জুন 2023-24 অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য নতুন কিছু না থাকলেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) চূড়ান্ত বাজেটে আবারও চারটি বিষয়কে সামনে এনে বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার ডিএসই বন্ডে সুদ আয়ের উপর কর অব্যাহতি,  লভ্যাংশ আয়ের উপর শুধু উৎসে কর কর্তন,  ট্রেকহোল্ডারদের উৎসে কর হ্রাস, এসএমই বোর্ডে কোম্পানিগুলোর রেয়াতযোগ্য হারে কর আরোপের সুপারিশ জানিয়েছে, যা আগামী 30 জুন চূড়ান্ত বাজেটে প্রতিফলন দেখতে চাই।

প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উন্নয়ন ও উৎপাদনমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থনীতিকে গতিশীল করার কৌশল নিয়ে বাজেট প্রনয়ণ করা হয়েছে৷

২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে কর্মপন্থা ও ব্যবস্থাপনা কৌশল বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে, সে জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু বাজেট প্রস্তাবনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।  

বন্ড মার্কেটের বিষয়ে যুক্ত উপস্থাপন করে ডিএসই জানিয়েছে, একটি কার্যকরী বন্ড বাজার অর্থনীতিকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করতে পারে। যদি সব ধরনের বন্ডের সুদ অব্যাহতির আওতায় আনা হয়, তখন একটি শক্তিশালী বন্ড বাজার সৃষ্টিতে উৎসাহিত করবে।

কোম্পানিগুলো কর-পরবর্তী মুনাফা থেকে লভ্যাংশ দিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, লভ্যাংশের উপর কর এক ধরণের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের করারোপণ। লভ্যাংশের উপর উৎসে কর চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচিত হলে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১ জুন ২০২৩ “উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড়  দশক  পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা” শিরোনামে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন।